মৌমিতা বড়ুয়া

মৌমিতা’র ‘চাঁদ জোছনা ঢালে’

টপ স্টোরি বিনোদন

বিনোদন প্রতিবেদক »

মৌমিতা বড়ুয়া, এই প্রজন্মের একজন তন্বী তরুনী সঙ্গীতশিল্পী। ২০১৭ সালে চ্যানেল আই সেরাকন্ঠ’তে শীর্ষ দশে উঠে আসা এমন একজন সঙ্গীতশিল্পী যিনি গানে নিজেকে সিদ্ধহস্ত করেই সঙ্গীতাঙ্গনে পেশাগতভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন।

মিতা বড়ুয়া’র কন্ঠটি এমনই মধুর এক কণ্ঠ যে কন্ঠের যত্ন করা গেলে সেই কন্ঠটিই হয়ে উঠতে পারে এই প্রজন্মের একটি চিহ্নিত কন্ঠ। কিন্তু সঙ্গীতাঙ্গনে সময়টা এখন অনেকটাই এমন যাচ্ছে যে শেখা কন্ঠ বা গলার যত্ন খুবই কম নেয়া হয়ে থাকে।

অথচ আমাদেরই সঙ্গীতাঙ্গনে শুধু মৌমিতা কেন মৌমিতার মতো বেশ কয়েকজন শিল্পী আছেন শ্রোতা দর্শক যাদের কন্ঠে গান শোনা মাত্রই তাদের কন্ঠের প্রেমে পড়ে যান। একজন মৌমিতা বড়ুয়া চট্টগ্রামের মেয়ে। বাবা ত্রিবিদ বড়ুয়া রানা’র কাছে গানে তার হাতেখড়ি।

উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে গেলো ১৩ বছর যাবত মৌমিতা সুব্রত দাশ অনুজের কাছে তালিম নিচ্ছেন। এই শেখা গলার যত্ন নেবার চেষ্টা করছেন ধ্রুব গুহ। এর আগেও তার প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে গান প্রকাশিত হয়েছে।

আর আগামী ঈদে আসছে মৌমিতার কন্ঠে ‘চাঁদ জোছনা ঢালে’ শিরোনামের নতুন একটি ভীষণ মিষ্টি গান। গানটি লিখেছেন শহীদুর রহমান এবং সুর করেছেন এস আর সারোয়ার। গানটি চিত্রায়িত হয়েছে ভারতের আসামে।

গানটি এবং গান নিয়ে মৌমিতার স্বপ্ন প্রসঙ্গে মৌমিতা বলেন,‘ পৃথিবী যতোদিন থাকবে ততোদিন গান সৃষ্টি হবে। সুন্দর কথার মনে কাড়া সুরের গানগুলো থেকে যাবে। চাঁদ জোছনা ঢালে ঠিক এমনই একটি গান। আমার অনেক আশা, স্বপ্ন এই গানটিকে ঘিরে।

ছোটবেলায় ভাবতাম বড় হয়ে শ্রদ্ধেয় লতা মুঙ্গেশকর কিংবা সন্ধ্যা মুখার্জির মতো হবো। সত্যিই নিজেকে আগামী দশ বছরে সাধণা করে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই, মেয়েরা যেন স্বপ্ন দেখে আমার মতো হবার। আমি খুব সাহসী ছোট থেকে। যুদ্ধ করতে সাহস লাগে, তাই আমি যুদ্ধ করবো ভালো গান নিয়ে।’

মৌমিতা জানান, শিগগিরই প্রকাশ পাবে ক্লোজআপ তারকা রাশেদের সঙ্গে ‘টিপ’ শিরোনামের একটি গান। মৌমিতার প্রথম মৌলিক গান ছিলো ‘গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি’। গানটি লিখেছিলেন মাহমুদ শাওন এবং সুর করেছিলেন বর্ণ চক্রবর্তী।