আবুল মাল আবদুল মুহিত

মুহিতের শারীরিক অবস্থার অবনতি, ফের হাসপাতালে ভর্তি

টপ স্টোরি রাজনীতি লিড স্টোরি

নিজস্ব প্রতিবেদক »

সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিতের শারীরিক অবস্থার ফের অবনতি হয়েছে। তিনি শক্ত কোনো খাবার খেতে পারছেন না। তাকে রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৫ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় বনানীর বাসা থেকে রাজধানীর গ্রিন রোডের গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।

মুহিতের ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভাইয়ের অসুস্থতার বিষয়ে জানান, তিনি (মুহিত) সব ধরনের খাবার চিবিয়ে ফেলে দিচ্ছেন, তিনি খেতে পারছেন না।

এদিকে সোমবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর সহকারী মো. বাচ্চু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি ২৪ ঘণ্টা স্যারের (সাবেক অর্থমন্ত্রী) দেখাশোনা করছি। স্যার এখনো হাসপাতালে ভর্তি। শক্ত ধরনের খাবার খেতে পারছেন না। খাবার চিবিয়ে ফেলে দিচ্ছেন। তবে খাবার চিবিয়ে তার রস খেতে পারছেন।

তিনি বলেন, স্যার গত কদিন কিছু খেতে না পারলেও আজ চকলেট ও ডিমের কিছু অংশ খেতে পারছেন। উনার ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। ১১০ কেজি থেকে ৫২ কেজিতে নেমে গেছে।

গত কদিন ধরেই শারীরিকভাবে খুব দুর্বল অনুভব করছিলেন সাবেক এ অর্থমন্ত্রী। কোনো খাবার খেতে পারছিলেন না। এরইমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ভাইয়ের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন মুহিতের ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, মুহিত ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা আজকে কিছুটা ভালো। দেশ-বিদেশে সবার কাছে আমার ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চাই, আল্লাহ যেন উনাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন। আমিন।

ভাইয়ের সঙ্গে দুটি ছবি শেয়ার করেন ড. মোমেন। প্রথম ছবিটি ৭ মার্চ হাসপাতালে তোলা, দ্বিতীয় ছবিটি যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে ফেরার পর গত ৪ মার্চ বনানীর বাসায় তোলা।

ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতির মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে সোমবার বিকেলে ঢাকা ত্যাগ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন।

৮৮ বছর বয়সী সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বছর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। ওই বছরের ২৯ জুলাই তাকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। পরে তিনি করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফিরলেও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন।