প্রভা

প্রভার ‘তপ্ত দুপুর’

টপ স্টোরি বিনোদন

বিনোদন প্রতিবেদক »

কিছুদিন আগেই এনটিভিতে প্রচার শেষ হলো বহুদিন পর সাদিয়া জাহান প্রভা’র কোন আলোচিত ধারাবাহিক নাটক। ‘পরের মেয়ে’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের মধ্যদিয়েই যেন নতুন করে একজন সুঅভিনেত্রী হিসেবে আলোচনায় এলো প্রভা। এই ধারাবাহিকে তার অনবদ্য অভিনয় দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে।

ধারাবাহিক এই নাটকটি নির্মাণ করেছিলেন হাবীব শাকিল। এই ধারাবাহিকের পর যেন প্রভা’র ব্যস্ততা খানিকটা বেড়ে যায়। তবে প্রভা চেষ্টা করছেন ভালো ভালো গল্পে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজ করতে। বাংলাদেশের টিভি নাটকের অন্যতম মেধাবী নাট্যনির্মাতা সুমন আনোয়ারের নির্দেশনায় প্রভা আগামী ঈদের জন্য একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘তপ্ত দুপুর’।

নাটকটি রচনা করেছেন সুমন আনোয়ার নিজেই। এর আগেও প্রভা বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের সঙ্গে ‘চুন্নু অ্যা- সন্স’,‘ শর্টকাটে বাড়িওয়ালা’,‘ বোকা খোকা’সহ আরো বেশকিছু দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছিলেন। অনেকদিন পর আবারো প্রভা মোশাররফ করিমের সঙ্গে একটি অসাধারণ গল্পের নাটকে অভিনয় করেছেন। এরইমধ্যে নাটকটির দৃশ্য ধারণের কাজ শেষ হয়েছে।

নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে প্রভা বলেন,‘ এর আগেও সুমন ভাইয়ের নির্দেশনায় নিয়তি’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছি। নিয়তি’ নাটকটি এরইমধ্যে এক কোটিরও বেশি ভিউয়ার্স উপভোগ করেছে। এখন অনেক নাটকই কোটি ভিউয়ার্স হলে আলোচনায় চলে আসে। আমার নাটকও এসেছে নিয়তি’সহ আরো অনেকগুলো। কিন্তু কোটি ভিউয়ার্স হয়েছে-এটা নিয়ে আসলে আমি এতোটা ভাবিনি কখনো। নাটকটির গল্প ভালো কী না, আমার চরিত্রটি কেমন সেটা নিয়েই আসলে ভাবি বেশি। তপ্ত দুপুর’ নাটকের গল্পটা একেবারেই অন্যরকম। সুমন আনোয়ার ভাই নি:সন্দেহে এই দেশের মেধাবী একজন পরিচালক, নাট্যকার। তার নির্দেশনায় কাজ করতে পারার মধ্যে অনেক কিছুই শেখা যায়। তাছাড়া সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন মোশাররফ করিম ভাই, তিনিও এই দেশের একজন গুনী অভিনেতা। সবমিলিয়ে তপ্ত দুপুর’র নাটকটি অনেক ভালো হয়েছে। আমার বিশ্বাস  নাটকটি দর্শকের ভীষন ভালোলাগবে।’

সাম্প্রতিক সময়ে প্রভা অভিনীত বিভিন্ন চ্যানেলে ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রচালিত দর্শকপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর ‘সদা সত্য বলিবো’, সকাল আহমেদ’র ‘শেষ সাতদিন’, আদিত্য জনির ‘অনুশোচনা’, সরদার রোকনের ‘লাভ স্কোর’, সুমন আনোয়ারের ‘টক ঝাল মিষ্টি’, আদও সোহাগের ‘আমি যে কে তোমার’, কে এম নাঈমের ‘গিফট বক্স’, সরদার রোকনের ‘কোন এক সন্ধ্যায়’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।