জেফ বেজোসের মহাকাশযাত্রা

অ্যাপলো-১১’র চাঁদে অবতরণের দিনই জেফ বেজোসের মহাকাশযাত্রা

টপ স্টোরি সারাবিশ্ব স্লাইডার

সারাবিশ্ব ডেস্ক »

২০২১ সালে ২০ জুলাই। বিশ্বের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোসের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন বটে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে পশ্চিম টেক্সাসের মরুভূমির ‘লঞ্চ সাইট ১’ থেকে বেজোসসহ চার জন এবার পাড়ি জমাবেন মহাকাশে।

অ্যাপলো ১১-র চাঁদে অবতরণের ৫২তম বার্ষিকীকে সম্মান জানাতে এই দিনটিই মহাকাশ অভিযানের জন্য বেছে নিয়েছেন তিনি। ‘নিউ শেপার্ড’ বহন করবে তাদের। এখনও অবধি কোনও যাত্রী ছাড়া অন্তত ১৫টি উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য এই যানের।

জেফের সহযাত্রী হবেন ৮২ বছর বয়সী এক নারী বিমানচালক ওয়ালি ফাঙ্ক। সব ঠিক থাকলে তিনিই হবেন প্রবীণতম মহাকাশচারী।

আবার অলিভার ডিমেন নামে এক ডাচ কিশোর হবেন সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশযাত্রী। ১৮ বছরের অলিভার নেদারল্যান্ডসের এক ধনকুবেরের ছেলে। সঙ্গ দেবেন জেফের ছোট ভাই মার্কও।

বেজোসের সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’ এই রকেট বানিয়েছে। নিউ শেপার্ড’ ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশ ও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যবর্তী কারম্যান লাইনে কিছুক্ষণ অবস্থান করবে।

মহাকাশে মানুষের থাকার জন্য ‘স্পেস কলোনি’ বানানোর উদ্দেশ্যেই ২০০০ সালে ‘ব্লু অরিজিন’ সংস্থার সূচনা করেন জেফ। মহাকাশ পর্যটনসহ পরিকল্পনার শেষ নেই বেজোসের। আপাতত ‘নিউ গ্লেন’ নামে আরও একটি রকেট বানানো হচ্ছে সংস্থাটিতে।

এর আগে যুক্তরাজ্যের লেখক, ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন মহাকাশ অভিযানে যান। তিনিই বিশ্বে প্রথমবারের মতো নিজস্ব মহাশূন্যযান ভার্জিন গ্যালাকটিক প্লেনে চড়ে ১০ জুলাই মহাশূন্যে যান। এর ১০ দিন পর বেজোস মহাকাশে যাচ্ছেন।

মহাকাশ অভিযাত্রা সম্পর্কে বেজোস ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘আমি সারা জীবন মহাকাশে এভাবে উড়তে চেয়েছি।’